ঘূর্ণিঝড় ফণীর ক্ষয়ক্ষতির প্রভাবে সারা দেশে চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ড. মো. এনামুর রহমান। আজ শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে ফণীর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আলোচনা সময় তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যতটুকু ক্ষয়ক্ষতির খবর শুনেছি একটু আগে আমাদের সচিব মহাদয় বলেছেন চারজন নিহত হয়েছে। দুইজন হলো ঘর ধসে পড়ে আর দুইজন হলো গাছ চাপা পড়ে।’

এ সময় নিহতের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক প্রকাশ করে তিনি।

এনামুর রহমান বলেন, ‘যেভাবে আমাদের প্রস্তুতি ছিল যেভাবে আমরা ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে তাদেরকে নিয়ে যেতে পেড়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমরা ১৬ লাখ ৪০ হাজার লোককে আমরা সরিয়েছিলাম। আমরা আশা করেছিলাম একটি লোকও মারা যাবে না। কিন্তু যে দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে তারা আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি। তারা ঘরে ছিল। ঘরে থেকে তারা মৃত্যুবরণ করেছে। সেই জন্য আমরা অত্যন্ত দুঃখিত।’

তবে পরবর্তী সময়ে একটি লোকও যেন উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র বা নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রের বাইরে না থাকে সেটি লক্ষ্য রাখা হবে বলেও জানান দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এনামুর রহমান।  

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমাদের ৪ হাজার ৭১টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র আছে। এই ৪ হাজার ৭১ টিকেই আমরা প্রস্তুত করেছিলাম। সেখানে ১৯টি জেলার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আমরা কথা বলেছি এবং তারা জানিয়েছেন সবগুলো প্রস্তত আছে। সেখানে আলোর ব্যবস্থার জন্য সোলার সিস্টেম প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, সেইগুলো কার্যকর ছিল। দুই একটি জায়গায় সোলার ব্যবস্থা ছিল না সেখানে আমরা হেজাক বাতির ব্যবস্থা করেছি আমাদের জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে।’

প্রত্যেকটি আশ্রয় কেন্দ্রে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে এনামুর রহমান বলেন, ‘প্রত্যেকটা আশ্রয় কেন্দ্রে খাদ্য, পানি, নগদ টাকা এবং চাল চিকিৎসা…পৌঁছে দিয়েছিলাম। আমরা মোট প্রত্যেকটা জেলা প্রশাসকের কাছে দুইশো মেট্রিকটন চাল, ১০ লাখ নগদ টাকা এবং ২ হাজার প্যাকেট করে শুকনো খাবার, ৩০টি ট্রাক মাউন্টেন ওয়াটার পিউরিফেকশন প্লান্ট আমরা সেখানে দিয়েছিলাম।’