২০১০ সালে শুরু হয়ে চারটি সাফের আসর পেরিয়ে গিয়েছে। চারটিতেই চ্যাম্পিয়ন ভারত। এ টুর্নামেন্টে আজ পর্যন্ত ভারত ২১টি ম্যাচ খেলেছে। কিন্তু হারেনি একটিতেও। ২০ জয়ের বিপরীতে এক ড্র। পরিষ্কারভাবে দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলে ভারতের একক রাজত্ব। সেই রাজত্ব একবারই শুধু হুমকির মুখে পড়েছিল, হারানোর ভয় দেখাতে পেরেছিল একটি দল, সেটি বাংলাদেশ। তা–ও আবার ভারতের মাটিতেই। ২০১৬ সালের শেষ সাফেই তাদের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল বাংলাদেশ। এই ড্র না হলে ২১ ম্যাচে সব কটিতেই জয় থাকত ভারতের। অর্থাৎ অপরাজেয় ভারতকে থামানোর সামর্থ্য রাখলে তো বাংলাদেশই রাখে। প্রায় দুই বছর আগে শিলিগুড়িতে বসে কথাটি ভারতের কোচ সাজিদ ধর নিজেই বলেছিলেন, ভবিষ্যতে ভারতের জন্য হুমকি বাংলাদেশ। যদিও ফাইনালে বাংলাদেশকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল সাজিদের ভারত।

২০১০ সালে শুরু হয়ে চারটি সাফের আসর পেরিয়ে গিয়েছে। চারটিতেই চ্যাম্পিয়ন ভারত। এ টুর্নামেন্টে আজ পর্যন্ত ভারত ২১টি ম্যাচ খেলেছে। কিন্তু হারেনি একটিতেও। ২০ জয়ের বিপরীতে এক ড্র। পরিষ্কারভাবে দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলে ভারতের একক রাজত্ব। সেই রাজত্ব একবারই শুধু হুমকির মুখে পড়েছিল, হারানোর ভয় দেখাতে পেরেছিল একটি দল, সেটি বাংলাদেশ। তা–ও আবার ভারতের মাটিতেই। ২০১৬ সালের শেষ সাফেই তাদের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল বাংলাদেশ। এই ড্র না হলে ২১ ম্যাচে সব কটিতেই জয় থাকত ভারতের। অর্থাৎ অপরাজেয় ভারতকে থামানোর সামর্থ্য রাখলে তো বাংলাদেশই রাখে। প্রায় দুই বছর আগে শিলিগুড়িতে বসে কথাটি ভারতের কোচ সাজিদ ধর নিজেই বলেছিলেন, ভবিষ্যতে ভারতের জন্য হুমকি বাংলাদেশ। যদিও ফাইনালে বাংলাদেশকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল সাজিদের ভারত।