গত ২৫ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সানডান্স চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হয়েছে ‘লিভিং নেভারল্যান্ড’ নামের একটি তথ্যচিত্র। সেখানে বক্তব্য দিয়েছেন শৈশবে জ্যাকসনের কাছে যৌন হয়রানির শিকার দুই তরুণ। ছবিটির তীব্র সমালোচনা করেছে মাইকেল জ্যাকসনের পরিবার ও তত্ত্বাবধায়কেরা। এক বিবৃতিতে তাঁরা বলেছিলেন, ‘সারা জীবন এ রকম নোংরা আক্রমণ মোকাবিলা করতে হয়েছে মাইকেল জ্যাকসনকে। মৃত্যুর পরও নিস্তার নেই তাঁর।’ তথ্যচিত্রে বক্তব্য দেওয়া দুই তরুণের উদ্দেশে তাঁরা বলেছেন, ‘তথ্যচিত্রে ওয়েড রবসন ও জিমি সেফচাককে এত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যে, জ্যাকসনের ঘনিষ্ঠ অন্য সবাই সেখানে রীতিমতো উপেক্ষিত। অথচ জ্যাকসন কখনোই শিশুদের সঙ্গে বাজে আচরণ করতেন না। বরং সব সময় তিনি তাদের আদর করতেন।’

গত ২৫ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সানডান্স চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হয়েছে ‘লিভিং নেভারল্যান্ড’ নামের একটি তথ্যচিত্র। সেখানে বক্তব্য দিয়েছেন শৈশবে জ্যাকসনের কাছে যৌন হয়রানির শিকার দুই তরুণ। ছবিটির তীব্র সমালোচনা করেছে মাইকেল জ্যাকসনের পরিবার ও তত্ত্বাবধায়কেরা। এক বিবৃতিতে তাঁরা বলেছিলেন, ‘সারা জীবন এ রকম নোংরা আক্রমণ মোকাবিলা করতে হয়েছে মাইকেল জ্যাকসনকে। মৃত্যুর পরও নিস্তার নেই তাঁর।’ তথ্যচিত্রে বক্তব্য দেওয়া দুই তরুণের উদ্দেশে তাঁরা বলেছেন, ‘তথ্যচিত্রে ওয়েড রবসন ও জিমি সেফচাককে এত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যে, জ্যাকসনের ঘনিষ্ঠ অন্য সবাই সেখানে রীতিমতো উপেক্ষিত। অথচ জ্যাকসন কখনোই শিশুদের সঙ্গে বাজে আচরণ করতেন না। বরং সব সময় তিনি তাদের আদর করতেন।’