জিএম কাদেরের বড় অনুযোগ ছিলো, ক্ষমতা না থাকায় দলে শৃঙ্খলা আনা যাচ্ছে না। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হলেও যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।

জাপাকে শক্তিশালী করা ও সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য কমিটি অনুমোদন এবং বহিস্কারের ক্ষমতা দাবী করে আসছিলেন কাদের। তার সেই অনুযোগের কারণে এবার জিএম কাদেরকে সাংগঠনিক দায়িত্ব প্রদান করলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

শনিবার (৪ মে) রাতে এই সাংগঠনিক আদেশ দেন। এর আগে ছোট ভাই কাদেরের সঙ্গে লম্বা সময় ধরে আলাপ করেন।

ছোট ভাই জিএম কাদেরকে ১৮ জানুয়ারি এক সাংগঠনিক আদেশে জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং ভবিষ্যৎ চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছিলেন। এরপর ২২ মার্চ জিএম কাদেরকে ব্যর্থ উল্লেখ করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও কো-চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেন। এর পরদিন ২৩ মার্চ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতার পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়।

জিএম কাদেরকে সরিয়ে দিলে আন্দোলনে নামে রংপুরের ৮ জেলার নেতারা। তারা গণপদত্যাগ ও জাপাকে প্রতিহত করার আল্টিমেটাম দেয়। অবশেষে ৪ এপ্রিল জিএম কাদেরকে কো-চেয়ারম্যান পদে পুনর্বহাল করেন এরশাদ। ৬ এপ্রিল এক সাংগঠনিক নির্দেশনায় ২২ মার্চের দেওয়া সাংগঠনিক নির্দেশনা বাতিল করে পুনরায় জিএম কাদেরকে তার অবর্তমানে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দিলেন এরশাদ। চিঠিতে বলা হয়েছে গত ২২ মার্চ যে সাংগঠনিক নির্দেশ দিয়েছিলাম আজকের চিঠির মাধ্যমে আগের আদেশটি বাতিল ঘোষণা করছি।